মহাকাশে বাংলাদেশের ধনিয়া বীজ- মহাকাশ গবেষণায় বাংলাদেশের প্রবেশ ।
মহাকাশে বাংলাদেশের ধনিয়া বীজ!
by - Rohan Paul
এবার বাংলাদেশের ধনিয়া বীজ নাসার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে জাপানের কিবো (KIBO) মডিউলে ছয় মাস অবস্থান করে ফিরে এসেছে পৃথিবীর বুকে!
বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) সাভারের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির সেমিনার আয়োজিত হয়েছিল "এশিয়ান হার্বস ইন স্পেস" গবেষণায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং তা নিয়ে বিস্তারিত জানানোর জন্য।এনআইবির(নেশন্যাল ইনস্টিটিউট অফ বায়োটেকনোলজি) মহাপরিচালক ড. মো. সলিমুল্লাহ বলেন, মালয়েশিয়া, জাপান, থাইল্যান্ড সহ ১২টি দেশ এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত আছে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা (NASA) এবং জাপানি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জাক্সার (JAXA) যৌথ উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পরিচালিত এশিয়ান হার্বস ইন স্পেস প্রকল্পটিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং পরবর্তী সময়ে এনআইবির গবেষণাগারে এ-সংক্রান্ত গবেষণার সুযোগ নিঃসন্দেহে এনআইবির চলমান গবেষণায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।
তিনি বলেন, এর মাধ্যমে মহাকাশ গবেষণায় প্রবেশ করলো বাংলাদেশ।
জানানো হয়,মহাকাশে পাঠানোর সময় ঠিক একই রকম ধনিয়া বীজের কন্ট্রোল নমুনা সংরক্ষণ করা হয় এনআইবির গবেষণাগারে। মহাকাশ ঘুরে আসা ধনিয়া বীজের সঙ্গে কন্ট্রোল ধনিয়া বীজের তুলনা করে সব বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে প্রাপ্ত তথ্য থেকে আমরা বুঝতে পারব এসব বীজে কোনো ধরনের পরিবর্তন হয়েছে কি না। এসব তথ্য পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব, বিস্তার এবং ভবিষ্যতে মহাকাশেও ফসল ফলানোর সম্ভবনার পাশাপাশি না জানা অনেক প্রশ্নের উত্তর এনে দিতে পারে।
গত ৭ মার্চ স্পেস স্টেশনে পৌঁছায় ধনিয়া বীজ। এরপর কৃত্রিম সূর্যালোক এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে হাইড্রোফোনিক পদ্ধতিতে স্পেসে বীজ থেকে চারা উৎপাদন করা হয়েছে।
কিছুদিনের মধ্যেই নাসা থেকে জাক্সার মাধ্যমে জাপান থেকে বীজগুলো বাংলাদেশে চলে আসবে।
মহাকাশ জীববিজ্ঞান সম্পর্কিত এই গবেষণায় দেশের নবীন শিক্ষার্থীদেরও যুক্ত করা হবে। এই গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থী এবং গবেষকরা ভবিষ্যতে মহাকাশ জীববিজ্ঞান-সম্পর্কিত গবেষণায় অবদান রাখার সুযোগ পাবে।
এখন আমরা ধনিয়া বীজকে দেশের প্রথম মহাকাশচারী তো বলতেই পারি !!!
নির্ভরযোগ্য সোর্স(ক্লিক করুন)
Very informative.
ReplyDeleteProud moment for us